Description
Saffron is a fragrant spice that has been cultivated since about 3500 years ago. Made from the flowers of a plant called Crocus sativus. This spice is also popular as a natural dye.
WHAT SETS KHAAS SAFFRON APART:
Fresh saffron are IMPORTED FROM IRAN
Stored in cold storage without mixing any chemicals.
NUTRITIONAL GAINS & WELLNESS ADVANTAGES:
Rich in phytonutrients
It has anti-inflammatory and anti-fungal properties.
Saffron is rich in plant compounds that act as antioxidants, such as crocin, crocetin, safranal, and kaempferol. Antioxidants help protect your cells against oxidative stress.
Helpful in eliminating pregnancy complications.
Plays a role in controlling high blood pressure during pregnancy.
It helps in increasing memory power.
Saffron has been shown to reduce snacking and curb your appetite. In turn, these behaviors may help lose weight.
Saffron (জাফরান) পৃথিবীর অন্যতম দামী মসলা। এর রঙ ও ঘ্রাণ খাবারে আনে ভিন্নতা। ক্রোকাস স্যটিভা নামের এক উদ্ভিদের ফুল থেকে উৎপন্ন এই মসলা। এটি একটি প্রাকৃতিক রঞ্জক হিসেবেও প্রসিদ্ধ।
এই সুগন্ধি মসলা ৩,৫০০ বছর আগে থেকে চাষ হয়ে আসছে। যেসব অঞ্চল এটি চাষের জন্য প্রসিদ্ধ তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ইরান, ভারত ও গ্রিস। তন্মধ্যে ইরান জাফরানের জন্য অন্যতম সেরা শহর।
Saffron (জাফরান) এর উপকারিতা
১। ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস সমৃদ্ধ যা ৯০টির বেশি রোগ উপশমে সক্ষম।
২। স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
৩। মানবদেহের ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
৪। গর্ভকালীন জটিলতা দূরীকরণে ভূমিকা রাখে।
৫। গর্ভকালীন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
খাস ফুডের জাফরান এর বিশেষত্ব
১। ইরান থেকে আমদানি করা হয় খাস ফুডের জাফরান।
২। বাছাইকৃত সেরা জাফরান আমদানি করা হয়ে থাকে।
৩। এটা প্রাকৃতিক ফুড কালার হওয়ায় কোন স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে না।
৪। সঠিক ভাবে সংরক্ষণ করতে পারলে ২ বছরেরও বেশি সময় ভালো থাকে।
৫। প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় কোন ধরনের ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে না।
৬। রক্তস্বল্পতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।
৭। হৃদরোগীদের জন্যও জাফরান বেশ উপযোগী।
জাফরানের ব্যবহার
১। খাবারে অথেনটিক কালার ও স্বাদ আনতে ব্যবহৃত হয়।
২। বিরিয়ানি, পোলাও, কেক, পেস্ট্রি, ফিরনি ইত্যাদি খাবারে জাফরান ব্যবহৃত হয়।
৩। এটি ব্যবহারের সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়ায়।